অকল্যান্ড: ১০ ওভারের স্পেল। উইকেট নিয়েছেন ২টো। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যজনক হল খরচ করেছেন মাত্র ২২ রান। এমন পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায় যে একজন বোলার কতটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছিলেন তাঁর স্পেলে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ান ডে ম্য়াচে এই অবিশ্বাস্য স্পেলটি করেছেন অংশুল কম্বোজ। তরুণ এই পেসারের আঁটোসাঁটো বোলিংই কিউয়ি ব্যাটিং লাইন আপকে রীতিমত বোতলবন্দি করে দিয়েছিল। আর ম্য়াচের সেরার পুরস্কার নিয়ে ডানহাতি এই তরুণ পেসার বলছেন, ধারাবাহিকভাবে লাইন ও লেংথ ঠিক রেখেই সাফল্য পেয়েছেন তিনি।
কম্বোজ তাঁর ১০ ওভারের স্পেলে ২টো ওভার মেডেন দেন। কম্বোজ বলছেন, ‘মূল বিষয়টা ছিল ধারাবাহিক লাইন ও লেংথ বজায় রাখা, উইকেটের আচরণ নিয়ে না ভেবে শুধু মৌলিক পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক লাইন ও সঠিক জায়গায় বোলিং করে যাওয়া। ওবল সিম বল খুব ভালো কাজ করছিল, তাই আমি বারবার ওটাই ব্যবহার করছিলাম। এছাড়া শুধু লেংথ ও ভালো লাইনের ওপর কাজ করা ও ব্যাটারদের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো দেখে নিয়ে সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই ছিল কাজ।’
ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ১৮৫ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু রান তাড়া করতে নামে যখন ভারত, তখন বৃষ্টি খেলায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় বারবার। দু’বার বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরে ওভার সংখ্য়া কমিয়ে ৩২ এ নামিয়ে আনা হয়। রান তাড়া করে ৫ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।
ব্যাট হাতে নজির গড়লেন বিরাট কোহলি
প্রথম ব্যাটার হিসাবে ওয়ান ডেতে তিন নেমে ১৩ হাজার রান করার জন্য বিরাট কোহলির ১২ রানের প্রয়োজন ছিল। ম্য়াচের সপ্তম ওভারেই কোহলি সেই গণ্ডি পার করে যান। নিজের ইনিংসের ১৩তম বলেই সেই কীর্তি গড়েন কোহলি। রিকি পন্টিং তিন নম্বরে ব্যাট করে ১২৬৬২ রান করেছেন। তাঁকে বহু আগেই পিছনে ফেলে দিয়েছিলেন কোহলি। এবার গড়লেন অনন্য নজির। মোট ২৫১টি ইনিংসে তিনে ১৩ হাজার ওয়ান ডে রানের গণ্ডি পার করলেন। এই নম্বরে তাঁর গড় ৬১.৫৫। তিনে নেমেই তাঁর ব্যাট থেকে ৪৮টি শতরান এসেছে। ৭০টি অর্ধশতরান হাঁকিয়েছেন তিনি। এদিনও তিনি অর্ধশতরান হাঁকালেন। ৩৫ বলে বিদেশের মাটিতে নিজের আন্তর্জাতিক ওয়ান ডে কেরিয়ারের দ্বিতীয় দ্রুততম অর্ধশতরান করেন।
