Last Updated:

India’s Success In Space: ইসরোর EOS 05 মিশনে জয়জয়কার বঙ্গসন্তানের। চন্দ্রযান ৩ ও আদিত্য এল ১-এর পর এবার ইসরোর EOS-05 উপগ্রহ উৎক্ষেপণে বাজিমাত রানিগঞ্জের সানি মিত্রের। রকেটের ইঞ্জিন তৈরিতে তাঁর বিরাট ভূমিকা রয়েছে। তাঁর সাফল্যে গর্বিত গোটা রাজ্যের মানুষ।

রাণীগঞ্জের ছেলের সাফল্যে গর্বিত গোটা জেলা
রাণীগঞ্জের ছেলের সাফল্যে গর্বিত গোটা জেলা

রাণীগঞ্জ, পশ্চিম বর্ধমান: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সফলভাবে মহাকাশে পাঠিয়েছে আর্থ অবজারভেশন উপগ্রহ ‘EOS-05’। জিএসএলভি-এফ১৭ (GSLV-F17) রকেটের মাধ্যমে উপগ্রহটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে পাড়ি জমিয়েছে। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থাৎ ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রযুক্তিতে তৈরি এই স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়েছে সব কাজ। আর এই সাফল্যের পিছনে অবদান রয়েছে এক বঙ্গসন্তানের। তিনি পশ্চিম বর্ধমানের রানীগঞ্জের বাসিন্দা সানি মিত্র।

তিনি এই অভিযানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। উল্লেখ্য, ইসরোর এই বিজ্ঞানী এর আগে চন্দ্রযান-৩, আদিত্য এল-ওয়ান মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট অভিযানে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে স্পেসক্রাফটের নিজস্ব জ্বালানি অনেকটাই সাশ্রয় হবে। লিকুইড অ্যাপোজি মোটরকে (LAM) অতিরিক্ত ফায়ারিং করতে হবে না। আগামী অন্তত সাত বছর ধরে মহাকাশ থেকে দেশকে নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা দেবে এই আধুনিক উপগ্রহ।

আরও পড়ুন: অভাব-অনটন কাটিয়ে ফিরবে সুদিন, কৌশিকী অমাবস্যার রাতে কী করবেন? রইল মোক্ষম টোটকা

ইসরোর এই মিশনের সাফল্যের বড় দায়িত্ব সামলেছেন সানি মিত্র। তিনি রানিগঞ্জের সিএলএম লেনের বাসিন্দা। বিগত আট বছর ধরে ইসরোতে বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছেন তিনি। ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ অভিযানের সময় তিনি সংস্থায় যোগ দেন। পরবর্তীতে চন্দ্রযান-৩ এবং ভারতের প্রথম সৌর অভিযান আদিত্য এল-১ মিশনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এবার EOS-05 মিশনেও রকেটের মূল চালিকাশক্তি প্রস্তুতের দায়িত্বে ছিলেন রানিগঞ্জের এই তরুণ ইঞ্জিনিয়ার।

আরও পড়ুন: মন্ত্রী, আমলাদেরও ‘নো এন্ট্রি’, ছাড় নেই সেবাইতদের! কৌশিকী অমাবস্যার আগে বিরাট সিদ্ধান্ত তারাপীঠে

এই অভিযানে জিএসএলভি রকেটের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইঞ্জিন তৈরির দায়িত্ব সামাল দিয়েছে যে টিম, তারই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সানি মিত্র। তিনি জানিয়েছেন, রকেটের প্রথম চরণের সঙ্গে যুক্ত থাকা চারটি এল৪০ লিকুইড বুস্টার ইঞ্জিন এবং দ্বিতীয় চরণের জিএস২ ইঞ্জিনের ডিজাইন, অ্যাসেম্বলি ও ফাংশনাল চেকের কাজ করেছেন তাঁরা। টানা প্রায় দুই বছরের কঠোর পরিশ্রমে তৈরি এই পাঁচটি ইঞ্জিন নিখুঁত শক্তি জুগিয়ে উপগ্রহটিকে মহাকাশে সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। দেশের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে রানিগঞ্জের ছেলের এমন সাফল্যে গর্বিত গোটা রাজ্য।

আরও পড়ুন: এখন থেকেই শুরু হয়ে গেল গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি, এবার কী মিলবে ‘জাতীয়’ তকমা? দেখুন তোড়জোড়

তিনি আরও জানিয়েছেন, দেশের সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তায় বড় পরিবর্তন আনবে EOS-05। এতে রয়েছে উচ্চপ্রযুক্তির চারটি পেলোড। ভারতের ১০০০ বর্গকিলোমিটার থেকে শুরু করে একটা বড় অংশের ওপর চব্বিশ ঘণ্টা একটানা নজরদারি চালাতে পারে এটি। আবহাওয়া সংক্রান্ত নিখুঁত ডেটা দেওয়ার পাশাপাশি হঠাৎ আসা বন্যা কিংবা সাইক্লোনের মতো বিপর্যয়ের রিয়েল-টাইম তথ্য জানাবে এই উপগ্রহ। ফলে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো প্রশাসনের পক্ষে অনেক সহজ হবে।



Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *