এমনই পুরনো স্মৃতিকে আরও একবার ফিরে দেখার সুযোগ পেলেন কয়েকজন সহপাঠী, যখন তাঁরা ৫০ বছর পর সেই একই স্কুলে ফিরে গেলেন। বিশেষ বিষয় হল, এই সাক্ষাৎকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে তাঁরা তাঁদের পুরনো স্কুলের ইউনিফর্মও পরেছিলেন। তাঁদের দেখে মনে হচ্ছিল, যেন সময় কিছুক্ষণের জন্য পিছিয়ে গিয়েছে।

৫০ বছর পর আবার স্কুলে ফিরলেন পুরনো বন্ধুরা:

এই সহপাঠীদের রিইউনিয়ন সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের নজর কেড়েছে। বহু বছর আগে যে স্কুলে তাঁরা একসঙ্গে পড়াশোনা করতেন, পাঁচ দশক অর্থাৎ ৫০ বছর পর আবার সেই একই জায়গায় একসঙ্গে দেখা গেল তাঁদের। বয়স অনেকটাই বেড়ে গেলেও, একে অপরের সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দে সেই পুরনো বন্ধুত্ব ও আপনভাবই ফুটে উঠেছিল। স্কুলের ভবন, করিডর এবং শ্রেণিকক্ষ দেখে তাঁদের মুখে পুরনো স্মৃতির ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। সম্ভবত তাঁদের কাছে এটি শুধুমাত্র স্কুলে ফিরে আসা ছিল না, বরং শৈশবের সেই সময়টায় ফিরে যাওয়া ছিল, যে সময়টা তাঁরা একসঙ্গে বন্ধুদের সঙ্গে কাটিয়েছিলেন।

পুরনো ইউনিফর্ম পরে আবার স্কুলের পড়ুয়া হয়ে উঠলেন:

এই রিইউনিয়নের সবচেয়ে বিশেষ বিষয় ছিল তাঁদের স্কুলের ইউনিফর্ম। পুরনো স্মৃতিকে আরও একবার জীবন্ত করে তুলতে সবাই স্কুলের পুরনো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। একটা বয়স পেরিয়ে যাওয়ার পর যখন তাঁদের পুরনো স্কুলের পোশাকে দেখা গেল, তখন মুহূর্তটি এমনিতেই বেশ আবেগঘন হয়ে উঠেছিল। ইউনিফর্ম শুধু একজোড়া পোশাক নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে স্কুলের সকাল, প্রেয়ার বা প্রার্থনা, ক্লাস, বন্ধুদের সঙ্গে মজা করা এবং শিক্ষকের বকুনির মতো অগণিত স্মৃতি। সেই কারণেই এই বন্ধুদের আবার একই সাজে দেখে তাঁদের পুরনো দিনগুলি যেন চোখের সামনে ফিরে এসেছিল।

৫০ বছর পরও বদলায়নি বন্ধুত্ব:

স্কুল শেষ হওয়ার পর সাধারণত বন্ধুরা নিজেদের আলাদা আলাদা পথে চলে যান। অনেক সময় বছরের পর বছর দেখা হয় না, কখনও কখনও যোগাযোগও কমে যায়। কিন্তু পুরনো বন্ধুরা যখন আবার একসঙ্গে মিলিত হন, তখন কথাবার্তা শুরু করার জন্য বেশি কিছু বলার প্রয়োজন হয় না। পুরনো স্মৃতিই হয়ে ওঠে কথোপকথনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম।

এই সহপাঠীদের ক্ষেত্রেও তেমনই কিছু দেখা গেল। ৫০ বছরের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের বন্ধুত্ব এবং পুরনো স্মৃতির সম্পর্ক আজও অটুট রয়েছে বলেই মনে হয়েছে।

এই ভিডিওটি @log.kya.sochenge নামের একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা হয়েছে। শেয়ার করার পরই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২ লক্ষেরও বেশি মানুষ ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন এবং ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ এতে লাইক করেছেন। ভিডিওটি নিয়ে মানুষজনও নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। একজন ইউজার লিখেছেন, “তাঁদের এখনও একইভাবে নিজেদের শৈশবকে বাঁচতে এবং উপভোগ করতে দেখে খুব ভালো লাগছে।” অন্য একজন লিখেছেন, “কিছু বন্ধুত্ব সত্যিই সময়ের থেকেও বড় হয় এবং কিছু স্মৃতি সারা জীবন হৃদয়ের খুব কাছেই থেকে যায়।”



Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *