Last Updated:

Where the world s biggest traffic jam occurred: সাধারণ জ্ঞান নিয়ে আমাদের সকলেরই কম-বেশি কৌতুহল রয়েছে। তেমনই একটি প্রশ্ন এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

১২ দিন ধরে আটকে ট্রাফিক জ্যামে, কোথায় হয়েছিল এমন পরিস্থিতি
১২ দিন ধরে আটকে ট্রাফিক জ্যামে, কোথায় হয়েছিল এমন পরিস্থিতি

প্রতিযোগিতামূলক ও চাকরির পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য সাধারণ জ্ঞান এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর গুরুত্ব অপরিসীম। অজানা সব চমকপ্রদ তথ্য যেমন মানুষের সাধারণ জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে সাহায্য করে, তেমনই নানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের অনেকটাই এগিয়ে রাখে। সম্প্রতি এমনই একটি প্রশ্ন নেটদুনিয়ায় ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে, যার উত্তর দিতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে বসেন।

যানজট বা ট্রাফিক জ্যাম বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় শহরেরই এক পরিচিত সমস্যা। প্রতিদিনের ব্যস্ত সময়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি বা বেঙ্গালুরুর মতো মেগাসিটিগুলোতে বেশ বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এসব শহরের ট্রাফিক নিয়ে যাঁদের নিত্যদিনের অভিযোগ, পৃথিবীর ইতিহাসে দীর্ঘতম সময়ের যানজটের গল্প শুনলে তাঁদেরও চোখ কপালে উঠবে।

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এই যানজটটি কোনো কয়েক ঘণ্টার ব্যাপার ছিল না, বরং টানা ১২ দিন ধরে চলেছিল! ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ জুড়ে থমকে গিয়েছিল হাজার হাজার গাড়ির সারি। চিনের ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কে শুরু হওয়া এই অবিশ্বাস্য ট্রাফিক জ্যাম পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লেগেছিল পুরো ১২ দিন, যা আজ বিশ্ব ইতিহাসে এক রেকর্ড হিসেবে নথিভুক্ত।

মূলত বেজিং থেকে তিব্বতগামী এক্সপ্রেসওয়েতে ক্ষমতার অতিরিক্ত চাপই এই বিপত্তির মূল কারণ ছিল। রাস্তাটি যে পরিমাণ গাড়ি চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, সেবার আচমকাই নির্ধারিত ক্ষমতার চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি গাড়ি সেখানে একসঙ্গে চলে আসে। বিপুল এই যান চলাচল সামলানোর মতো পরিকাঠামোগত প্রস্তুতি সেই এক্সপ্রেসওয়েতে একেবারেই ছিল না।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন দূরপাল্লার ভারী ট্রাকের সারি সেখানে এসে প্রবেশ করে। এর মধ্যেই যোগ হয় সড়ক মেরামতির কাজ, যার ফলে রাস্তার একটি বড় অংশের প্রায় ৫০ শতাংশ জায়গা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। চরম পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং গাড়ির অস্বাভাবিক চাপের ফলে তৈরি হওয়া এই ঐতিহাসিক ট্রাফিক জ্যাম ইতিহাসের এক অনন্য কৌতূহলের বিষয়।



Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *