News

-Ritesh Ghosh

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় উসকানির অভিযোগে অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গড়িয়াহাট থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছিল। সেই মামলা খারিজের জন্য সম্প্রতি তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

গত ২৯ এপ্রিল বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, গড়িয়াহাট থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলবে। পরমব্রতকে এই তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। তবে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

এই বিতর্কের সূত্রপাত ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর পরমব্রতর একটি পোস্ট ঘিরে। তৎকালীন ভোট মরশুমে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ শিল্পীদের উদ্দেশে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তৃণমূলের জয়ের পর তার পাল্টা হিসেবেই পরমব্রত সমাজমাধ্যমে ‘রগড়ানি দিবস’ পালনের কথা বলেন।

শুধু পরমব্রত নন, তাঁর পোস্ট সমর্থন করায় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের হয়েছে। গত ২১ মে (বৃহস্পতিবার) পুলিশ তাঁকে সমন পাঠিয়ে সাত দিনের মধ্যে গড়িয়াহাট থানায় হাজিরা দিতে নির্দেশ দেয়।

ওই নির্দেশ মেনে ২৩ মে (শনিবার) দুপুরে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় গড়িয়াহাট থানায় উপস্থিত হন। পরমব্রতর পোস্ট সমর্থনের কারণ প্রসঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি থানা থেকে বেরিয়ে আসেন।

প্রসঙ্গত, পরমব্রতর এই পোস্ট নিয়ে ২০২১ সালেই আইনজীবী জয়দীপ সেন টুইটারে অভিযোগ জানান। তাঁর মতে, পরমব্রত সমাজমাধ্যমে ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা ও সন্ত্রাসে উসকানি দিয়েছেন; স্বস্তিকা তাতে ইন্ধন জুগিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে জয়দীপ সেন উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ২ মে বিকেল ৪টে নাগাদ তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর পরমব্রত তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন: ‘আজ বিশ্ব রগড়ানি দিবস ঘোষিত হোক।’ এর প্রতিক্রিয়ায় স্বস্তিকা লেখেন: ‘হাহাহা হোক হোক!’ অভিযোগকারীর মতে, এমন মন্তব্য রাজনৈতিক হিংসা বাড়ায় এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।



Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *