Last Updated:

Rich Beggar: ভিক্ষুকের বাড়িতে এত টাকা? মান্ডিয়ার শ্রীরাঙ্গাপত্তনমে সাবিত্রী নামের এক ভিক্ষুকের বাড়িতে ১০ বান্ডিল মুদ্রা ও ২ বান্ডিল নোট পাওয়া গেছে৷ এখনও পর্যন্ত গণনা শেষ হয়নি। মুদ্রার ৪ বান্ডিলে ইতিমধ্যে ৫০,০০০ টাকা পাওয়া গেছে। নোটের দুটি বান্ডিলে ১.৮৫ লক্ষ টাকা পাওয়া গেছে। যা নিয়ে জোর জলঘোলা শুরু হয়েছে৷

ভিক্ষা করেই 'লাখপতি' এই বৃদ্ধা (ছবি-এআই)
ভিক্ষা করেই ‘লাখপতি’ এই বৃদ্ধা (ছবি-এআই)

মান্ডিয়া: ভিক্ষা করেই লক্ষ লক্ষ টাকা আয়৷ যা দেখে চোখ কপালে উঠেছে গ্রামবাসীদের৷ মান্ডিয়ার শ্রীরাঙ্গাপত্তনমে এক ভিক্ষুকের বাড়িতে পাওয়া টাকার বান্ডিলের গল্পটি দিন দিন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। শুধু দু-একটি বান্ডিল নয়৷ ঠিক ১০ বান্ডিল মুদ্রার সঙ্গে ২ বান্ডিল নোটও পাওয়া গেছে এবং এখন গণনার কাজ চলছে। বান্ডিলগুলো থেকে যত বেশি টাকা বের হচ্ছে, স্বেচ্ছাসেবকরা ততই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন।

শ্রীরাঙ্গপত্তনের ভিক্ষু সাবিত্রীর বাড়িতে পাওয়া ১০টি মুদ্রার বান্ডিলের মধ্যে ৪টি বান্ডিলের গণনা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শুধুমাত্র ঐ চারটি বান্ডিল থেকেই পঞ্চাশ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। অর্থাৎ, যে ৬টি মুদ্রার বান্ডিল এখনও গণনা করা বাকি, সেগুলিতে কত টাকা আছে? এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আরও পড়ুন-‘দিদি নম্বর ১’ সঞ্চালনা আমি করতে পারব না’, আচমকা কী হল স্বস্তিকার? তবে কি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো?

শুধু মুদ্রাই নয়, নোটের ২টি বান্ডিলও গণনা করা হয়েছে, যেখান থেকে মোট ১.৮৫ লক্ষ টাকা পাওয়া গেছে। ফলে, ইতিমধ্যেই যে গণনা করা মুদ্রা ও নোটের পরিমাণটি দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এবং বাকি মুদ্রাগুলো গণনার পর মোট পরিমাণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ এরই মধ্যে সাবিত্রীর টাকার ব্যাগে আরও একটি চমক সামনে এসেছে। আমেরিকান ডলার-সহ বেশ কয়েকটি বিদেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে। ফলে যে ব্যাগগুলোকে সাধারণত ভিক্ষার টাকা হিসেবে দেখা হতো, সেগুলোতে কীভাবে এত ধরনের মুদ্রা পাওয়া গেল, সেই প্রশ্নটিও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন- বলুন তো, প্লাস্টিকের টুলের মাঝখানে একটি ছোট ছিদ্র কেন থাকে? সহজ উত্তরটা বেশিরভাগ মানুষেরই অজানা

বিপুল পরিমাণ মুদ্রার কারণে গণনার কাজটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ১০টি ব্যাগের মধ্যে মাত্র ৪টি ব্যাগ গণনা করা হয়েছে এবং আরও ৬টি ব্যাগ গণনা করা বাকি আছে। আজ আবার এই গণনার কাজটি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাই, বাকি ছয়টি ব্যাগ থেকে কী পরিমাণ মুদ্রা পাওয়া যাবে, সেদিকেই সকলের মনোযোগ নিবদ্ধ। কিন্তু এই পুরো ঘটনাটি শুধু টাকার পরিমাণের কারণেই শিরোনামে আসেনি৷ স্থানীয়রা সাবিত্রীর নামে গোনা টাকা জমা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, স্থানীয়রা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে সাবিত্রী যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন টাকাটা জমা রাখবেন এবং পরে তা দিয়ে একটি গণবিবাহের আয়োজন করবেন।

টাকা পাওয়ার পরেও স্থানীয়রা বৃদ্ধাটিকে সাহায্য করা থেকে পিছপা হননি। সাবিত্রীর বাড়িটি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা পাশের বাড়িতে তাঁর থাকার ব্যবস্থা করেছেন। ফলে, একদিকে যেমন ভিক্ষুকের বাড়ি থেকে পাওয়া ১০ বান্ডিল মুদ্রা, ২ বান্ডিল নোট, পঞ্চাশ হাজার টাকার মুদ্রা, ১.৮৫ লক্ষ টাকার নোট এবং বিদেশি মুদ্রা সকলের কৌতূহল জাগিয়েছে, অন্যদিকে বৃদ্ধাটির টাকা তাঁর নামে রেখে ভবিষ্যতে গণবিবাহের জন্য ব্যবহার করার যে মানবিক সিদ্ধান্ত স্থানীয়রা নিয়েছেন, তা প্রশংসিত হচ্ছে।



Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *