Delhi Building Collapse : সকাল-সকাল বিকট শব্দে ঘুম ভাঙল এলাকাবাসীর। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চারিদিকে চিৎকার। ভেঙে পড়ল তিনতলা বাড়ি (Building Collapse In Delhi)। ইতিমধ্য়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছ উদ্ধারকারী বাহিনী। শোনা যাচ্ছে, ২ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। কমপক্ষে ১৫ জনের ধ্বসস্তূপের নীচে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। 

সাম্প্রতিককালে এই নিয়ে তিনবার
বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির চওড়ি বাজারে ঘটছে এই দুর্ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, নির্মীয়মান একটি তিনতলা বাড়ি ভেঙে পড়তেই আতঙ্কের মুখ পড়তে হয় এলাকাবাসীকে। দমকলের তরফে বলা হয়েছে, শীশ মহল মেট্রো স্টেশনের কাছে সত্তারা গলি থেকে তাদের কাছে একটি কল যায়। সকাল ১০টা নাগাদ আসে সেই ফোন। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দিল্লির ফায়ার ব্রিগেড। ইতিমধ্য়েই উদ্ধারকাজের জন্য ৬টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন। তবে কতজন ঠিক আটকে রয়েছেন, তা এখনও জানা যায়নি।

বার বার দিল্লিতে ঘটছে এই ধরনের ঘটনা

এর আগে উত্তর-পূর্ব দিল্লির সীমাপুরি এলাকায় একই ধরনের ঘটনা ঘটে। একটি তিনতলা বিল্ডিংয়ের সামনের অংশ ধসে পড়ে। একই ঘটনার সাক্ষী হয় দক্ষিণ দিল্লি। সেবার সত্য় নিকেতনের ছাত্রাবাসে ভেঙে পড়েছিল বহুতল। ভিতরে আটকে পড়েছিলেন একাধিক পড়ুয়া। ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে ফোন করে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন ছাত্র। এই ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যু হয়। উদ্ধার করা হয় অন্তত ১১ জনকে। এবার এক মাসের মধ্য়ে ফিরে এল সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি। যা এলাকাবাসীদের মধ্যে আরও চিন্তা বাড়িয়েছে। 

দিল্লির দক্ষিণে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার কাছাকাছি সত্য নিকেতনে ভেঙে পড়ে প্রায় ৪০-৫০ বছরের পুরনো একটি বহুতল। সেটি ‘Hostel Daze’ নামে ছাত্রদের PG হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। পুলিশের জানায়, বাড়িটির নীচের অংশে নির্মাণ বা মেরামতির কাজ চলছিল।

তবে বার-বার রাজধানীর মতো জায়গায় বিল্ডিং ভেঙে পড়ার ঘটনায় চিন্তা বাড়ছে এলাকাবাসীদের মনে। কী কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বহুতলগুলির ইমারতি কাঠামোর অনুমতি ও মেটিরিয়াল নিয়েও প্রশাসনকে দেখার আর্জি জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। এই বিষয়ে অবিলম্বে মিউনিসিপাল কর্পোরেশন অফ দিল্লিকে দেখার জন্য বলেছেন অনেকেই। বিরোধীরা অবশ্য এরজন্য দিল্লি পুরনিগমকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।     

 আরও পড়ুন : মাত্র ১ টাকায় ২৪ দিনের প্ল্যান, BSNL দিচ্ছে দারুণ অফার, কী কী সুবিধা জানেন ?

 



Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed