মেয়াদোত্তীর্ণ জলের বোতল ব্যবহার করা যাবে কি না, তা নির্ভর করে এর সংরক্ষণের অবস্থা, সিল এবং প্যাকেজিংয়ের মানের উপর। ভারতে, প্যাকেটজাত পানীয় জলের প্রস্তুতকারকদের প্রযোজ্য নিয়মকানুন এবং পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে পণ্যের মেয়াদকাল ঘোষণা করতে হয়। তাই, বোতলের উপর মুদ্রিত মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উপেক্ষা করা উচিত নয়। বোতলের জলের রং বা গন্ধে কোনও পরিবর্তন না হলেই, তা খাওয়ার জন্য নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। যদি সিল ভাঙা থাকে অথবা জলের রং বা গন্ধে পরিবর্তন আসে, তবে তা খাবেননা।

মেয়াদোত্তীর্ণ জলের বোতল ব্যবহার করা যাবে কি না, তা নির্ভর করে এর সংরক্ষণের অবস্থা, সিল এবং প্যাকেজিংয়ের মানের উপর। ভারতে, প্যাকেটজাত পানীয় জলের প্রস্তুতকারকদের প্রযোজ্য নিয়মকানুন এবং পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে পণ্যের মেয়াদকাল ঘোষণা করতে হয়। তাই, বোতলের উপর মুদ্রিত মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উপেক্ষা করা উচিত নয়। বোতলের জলের রং বা গন্ধে কোনও পরিবর্তন না হলেই, তা খাওয়ার জন্য নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। যদি সিল ভাঙা থাকে অথবা জলের রং বা গন্ধে পরিবর্তন আসে, তবে তা খাবেননা।



Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *