সন্দীপ সরকার, কলকাতা: ইডেনে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৬ রানে অল আউট হয়ে গেল বাংলা। ব্যাট হাতে লড়াই করলেন অভিষেক পোড়েল ও সুমন্ত গুপ্ত। দুজনই হাফসেঞ্চুরি করলেন। ১১১ রানের লিড নিল বাংলা। মহারাষ্ট্রের ম্যাচ জিততে লক্ষ্য ১১২ রান। বাংলার চাই দ্রুত ১০ উইকেট তুলে নেওয়া। বৃহস্পতিবার সব কিছু ঠিকঠাক চললে ৬৫ ওভারের খেলা হবে। ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস পরিণতি অপেক্ষা করে রয়েছে?
বৃহস্পতিবার বাংলার দ্বিতীয় ইনিংস আর ৩০.৪ ওভার টিকে রইল। বোর্ডে যোগ হল আর ১১০ রান। তার মধ্যেই পড়ল শেষ ৬ উইকেট। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার। চারজন ব্যাটার আউট হলেন কোনও রান না করে। লড়াই করলেন শুধু দুজন। অভিষেক পোড়েল ও সুমন্ত গুপ্ত। যে পিচে ব্যাট করতে গিয়ে হাবুডুবু খেলেন বাংলার বাকি ব্যাটাররা, সেখানে অভিষেক দুই ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি করলেন।
তৃতীয় দিনের শেষে ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন পোড়েল। বৃহস্পতিবার কঠিন পরিস্থিতিতে ৬৫ রান করে ফিরলেন। সুমন্তর প্রাণরক্ষা হয় একবার। ৩১ রানের থাকার সময় তাঁর ক্যাচ ফেলেন সিদ্ধেশ বীর। বাংলার স্কোর তখন ১৫১/৭। সেই সুযোগ কাজে লাগান সুমন্ত। হাফসেঞ্চুরি করেন। শেষ পর্যন্ত ৫৯ রান করে প্লেড অন হন তিনি। তিনি আউট হতেই ১৮৬ রানে বাংলার ইনিংসে যবনিকা পতন।
রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপের জন্য ভারত এ দলে সুযোগ পেয়েছেন শাহবাজ আমেদ। রঞ্জি ট্রফিতে পরপর দুই ম্যাচে বাংলাকে জেতানোর পুরস্কার হিসাবে। সেই শাহবাজ মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে দুই ইনিংসেই ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে ০ করে ফিরেছিলেন। বৃহস্পতিবার সূরয সিন্ধু জয়সওয়াল দিনের দ্বিতীয় ওভারে ০ করে আউট হওয়ার পর শাহবাজ ক্রিজে নামেন। নেমেই খোঁচা মেরেছিলেন। মহারাষ্ট্রের উইকেটকিপার সৌরভ নাধালে সেই ক্যাচ ফেলে দেন। যদিও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি শাহবাজ। ০ করেই এলবিডব্লিউ হন।
সপ্তম উইকেটে ৮৬ বলে ৬৪ রান যোগ করেন পোড়েল ও সুমন্ত। তবে বাকিরা আশা জাগানোর মতো কিছু করেননি। প্রদীপ্ত প্রামাণিকও ০ করে ফেরেন। ৬ রান করে আউট হন মহম্মদ শামি।
হাতে মাত্র ১১১ রানের পুঁজি। এখান থেকে পরীক্ষা শামি, মহম্মদ কাইফদের। যদি অসাধ্যসাধন সম্ভব হয়। যদি দ্রুত ১০ উইকেট তোলা যায়। যদিও সহজ হয়ে আসা পিচে তা অলৌকিক স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
