কলকাতা: তাঁর কেরিয়ার শুরু হয়েছিল অভিনয়ের হাত ধরে। দীর্ঘদিন অভিনয় করেছেন তিনি, করে চলেছেন এখনও। জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছেন, ছুঁয়ে দেখেছেন সাফল্য। এরপরে তিনি পা রেখেছেন রাজনীতিতে, ৩ বারের বিধায়কও হয়েছেন। তবে শেষের দিকে, বারে বারেই দল ছাড়তে চেয়েছেন তিনি। একাধিকবার তৃণমূলের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। তৃণমূলের ভাঙন থেকে শুরু করে, দলবদল, এই সমস্ত বিষয় নিয়েই মুখ খুললেন, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjeet Chakraborty)।
দলবদল নিয়ে বিস্ফোরক চিরঞ্জিত
রাজনৈতিকরা আজকাল দুর্বল হলেই তাঁদের দল ভেঙে যাচ্ছে, অনেকে শিবির বদল করছেন, নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করছেন.. চিরঞ্জিত চক্রবর্তী কথা থামিয়েই বলে উঠলেন, ‘এই যে একটা দল, NCPI, যার কার্যত অস্তিত্বই নেই, তাদের একটা বোর্ড দেখাল দেখাল, দেখলাম তার ওপর দিয়ে লতাপাতা বেরিয়ে গিয়েছে, মানুষ লোভ, আকাঙ্খা বেড়েছে.. দলের প্রতি যে ভালাবাসা আর টান ছিল, সেটা আর নেই। নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখন খালি এখান থেকে ওখানে, ওখান থেকে এখানে.. এখন টাকাটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সবদিক থেকে, সব জায়গায়, সব ভাবে। যে দল, যে আদর্শকে দেখে ভোট দিয়েছিলেন মানুষ, যে ম্যানডেট দিয়েছি.. সেই মানুষটাই নিজে নিজে অন্য দলে চলে যাচ্ছে! নিজে নিজে যাতে পার্টি বদলাতে না পারে.. এটা যতদিন না বন্ধ হবে, ততদিন কিছু হবে না। এটা আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি। যে মুহূর্তে কেউ দলবদল করবে, তাঁর বিধায়ক এবং সংসদ পদ সঙ্গে সঙ্গে খারিজ হয়ে যাওয়া উচিত।’
নতুন সরকার নিয়ে কী মতামত চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর? অভিনেতা বলছেন, ‘ভাল। নতুন সরকার.. এই বদল তো দরকার ছিল। আমাদের পার্টিটা যে দুর্নীতির মধ্যে ডুবে গিয়েছিল, সেই জায়গা থেকে একটা নতুন দল, নতুন আশা নিয়ে এসেছে। দেখা যাক… তবে একটা বিষয় মুশকিল বলে মনে হচ্ছে। এই দলটা যেন বাংলার নয়। বাংলা মানসিকতা এদের কম আছে। এই দলকে বৃহত্তর ভারতের একটা ইউনিট বলে মনে হয়। এখানে অপারেট হচ্ছে। তার ফলে, বাঙালি কতদিন এদের কীভাবে নেবে, বাঙালির কতটা ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলবে.. এটা বলা মুশকিল। দেখা যাক কী হয়।’
Abhishek Banerjee: “কার নির্দেশে এই নজরদারি চালানো হচ্ছে ও এর উদ্দেশ্যই বা কী?” পোস্ট অভিষেকের
