I.N.D.I.A Bloc Rally: ‘চাইলেও কোথাও যেতে পারবেন না, যেতে দেব না’, রামলীলা ময়দান থেকে সরাসরি মোদি-শাহকে হুঁশিয়ারি রাহুলের
নয়াদিল্লি: ভোটচুরি নিয়ে আরও সুর চড়ালোন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী। শুধুমাত্র মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নন, এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। রাহুলের দাবি, ‘ভোটচুরি’র দায়ে জ্ঞানেশকে জেলে পোরা হবেই, মোদি-শাহও পার পাবেন না। (Rahul Gandhi)
রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে I.N.D.I.A জোটের সমাবেশে ভিড় উপচে পড়ে। আর সেখানে দাঁড়িয়েই মোদি-শাহকে নিশানা করেন রাহুল। বলেন, “অমিত শাহ বলেছেন, ‘মোদি কোত্থাও যাচ্ছেন না’। আমি বলছি, নরেন্দ্র মোদি কোথাও যেতে পারবেন না। চাইলেও যেতে পারবেন না উনি। আমরা যেতে দেব না।” (I.N.D.I.A Bloc Rally)
আরও পড়ুন: পানিহাটিতে ক্লাব দখলে অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথ, চাবি খুলে নিয়ে চলে এলেন, জোর তরজা
আক্রমণের ধার বাড়িয়ে রাহুল আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদিজী, অমিত শাহজী, এটা বুঝুন যে, জ্ঞানেশ কুমারের পর আমরা আপনাদের বিরোধিতা করব। ভোটচুরির কথা ভুলবেন না। আপনার (শাহ) এবং নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।”
এদিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে I.N.D.I.A শিবিরের সমাবেশ ঘিরে ভিড় উপচে পড়ে। রাহুল তো বটেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদবের মতো বিজেপি বিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন সেখানে। বক্তৃতা করতে গিয়ে রাহুল বলেন, “দেশকে সঠিক পথে চালনা করতে হলে প্রথমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে হবে। জ্ঞানেশ কুমার না থাকলে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না অমিত শাহ।”
আরও পড়ুন: মেঘালয়েও দল ভাঙানোর রাজনীতি! ‘কিংমেকার’ UDP-র অস্তিত্ব এখন সঙ্কটে, দলে দলে বিজেপি-তে বিধায়করা
বিজেপি যদিও I.N.D.I.A শিবিরের সমাবেশকে ‘ফ্লপ শো’ বলে কটাক্ষ করেছে। রামলীলা ময়দানের অর্ধেকও ভরেনি বলে দাবি করেছে তারা। তবে আগাগোড়া ধারাল আক্রমণই করে যান রাহুল। তিনি বলেন, “যা বলি, তা ঘটে। কোভিডের সময়ও ঘটেছিল। আমিই বলছি, জ্ঞানেশ কুমারকে সরানো হবে। জেলে যেতে হবে ওঁকে। এটা সাধারণ চুরি নয়। এটা মানুষের কণ্ঠস্বর চুরি। আইনের মাপকাঠিতে বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। এটা রাষ্ট্রদ্রোহ।”
এদিন একযোগে মোদি সরকারকে নিশানা করে বিরোধীরা। সুর চড়ান মমতাও। তিনি বলেন, “প্রথম ভ্য়ানিশ হঠাও, তারপর দ্বিতীয় কাহিনি। আপনি ( নরেন্দ্র মোদি ) বলতেন, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’। এখন মানুষ বলছে, ‘বিজেপির সাথ, সবার সর্বনাশ।’ কী না লুঠ করেছে! মন্দির লুঠেছে, মসজিদ লুঠ করেছে, ওয়াকফ সম্পত্তি লুঠেছে। পুলিশ দিয়ে আপনারা দলের কাজ করান।”
বিরোধীরা যখন রামলীলা ময়দানে সভার জন্য ১ নভেম্বর দিনটিকে বেছে নেয়, সেই সময় ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী অশান্তির প্রতিবাদে পাল্টা পথে নামে বিজেপি-ও।
Howrah News : জমির দখল ঘিরে হাওড়ার পাঁচলায় ব্যাপক বোমাবাজি | ABP Ananda