ভোপাল : তাঁর জন্য বরাদ্দ বিশ্রামগৃহের ঘরে ঢুকতেই ‘চক্ষু চড়কগাছ’ হল বিধায়কের। এক যুবক ও এক যুবতীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে হতবাক হয়ে গেলেন মধ্যপ্রদেশের এক কংগ্রেস বিধায়ক। ভোপালের এমএলএ রেস্ট হাউসে ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনা সরকারি আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
দীনেশ জৈন বস। তিনি মাহিদপুর কেন্দ্রের বিধায়ক। ঘটনায় তদন্ত দাবি করেছেন বিধায়ক। তাঁর অভিযোগ, ওই যুগল তাঁর অজান্তে এবং অনুমতি ছাড়াই তাঁর নামে বরাদ্দকৃত ঘরে প্রবেশ করেছিলেন। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এমএলএ রেস্ট হাউসে ব্লক ৩-তে ঘটনাটি ঘটে। বসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২ নভেম্বর তিনি দিল্লি থেকে ফেরেন। তারপর দুপুর ২টো নাগাদ তিনি গেস্ট হাউসে পৌঁছান।
ওই বিধায়ককে ১৪ ও ১৫ নম্বর ঘর দেওয়া হয়েছিল। রেস্ট হাউসে পৌঁছে, তিনি কেয়ারটেকারের কাছে ১৫ নম্বর ঘরের চাবি চান। কিন্তু, তাঁকে সেই সময় তা নেই বলা হয়। তাঁকে ১৪ নম্বর ঘরের চাবি দেওয়া হয়। যদিও, যখন তিনি ঘরে পৌঁছান তিনি দেখেন যে সংলগ্ন ঘরে এক যুবক ও যুবতী আপত্তিকর অবস্থায় রয়েছেন।
বিধায়ককে দেখে ওই যুগল পালিয়ে যান। এরপর বিষয়টি নিয়ে রেস্ট হাউসের স্টাফদের সঙ্গে কথা বলেন বিধায়ক এবং তিনি জানতে চান তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ঘরে কি করে কেউ ঢুকতে পারেন ?
নিজের অভিযোগে বস জানান, তাঁকে যে চাবিগুলি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি রিসেপশন কাউন্টারে ছিল। এবং, কেয়ারটেকার তাঁর অনুমতি না নিয়েই এবং তাঁকে না জানিয়েই ওই যুগলকে চাবিকাঠি হস্তান্তরিত করেছেন বলে অভিযোগ তাঁর। তিনি রেস্ট হাউসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তিনি কৈফিয়ত চান যে কীভাবে তাঁর নামে বরাদ্দকৃত ঘরে বহিরাগত কেউ ঢুকতে পারেন ?
এরপর কংগ্রেস বিধায়ক মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা সচিবালয়ের প্রধান সচিবের কাছে চিঠি লিখে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। বিধানসভা সচিবালয় তাঁর অভিযোগটি পূর্ত দফতরের (পিডব্লিউডি) কাছে পাঠিয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার জনসংযোগ আধিকারিক (পিআরও) জানিয়েছেন যে, ঘটনাটি বিধায়ক বিশ্রামাগারের (এমএলএ রেস্ট হাউস) ৩ নম্বর ব্লকে ঘটেছে। তিনি জানান, বস (Boss) প্রধান সচিবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন এবং গণপূর্ত বিভাগ (পিডব্লিউডি) বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
Kalipuja 2026 | ১৯ তম বর্ষে দমদম পাল্লালোক শ্য়ামাপুজোর এবারের ভাবনা-পদ্মে ভক্তি মায়ের মাঝেই শক্তি
