পোল্যান্ড : পোল্যান্ডের রাস্তায় গাড়ির ভিতর থেকে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে এক আততায়ী। বন্দুকবাজের এ হেন আচমকা হামলায় ইতিমধ্যেই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। মৃত এবং আহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকবাজকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়েছে। প্রথমে গুলি করে তাকে ধরাশায়ী করা হয় এবং তারপর গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। বন্দুকবাজ যে অস্ত্র ব্যবহার করছিল তা সেনাবাহিনীর অস্ত্র বলে জানিয়েছে পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। দক্ষিণ পোল্যান্ডের শহর Krakow- তে এই হামলা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ২ জন পুলিশকর্মীও। তাঁদের মধ্যে একজনের চোট গুরুতর বলে জানানো হয়েছে Krakow পুলিশের তরফে। এর পাশাপাশি পুলিশের তরফে এও জানানো হয়েছে আততায়ীর পরনে ছিল সেনার স্টাইলের পোশাক, হাতে ছিল সেনাদের ব্যবহার করার অস্ত্র। Krakow শহরের মূল জায়গায় আচমকাই একটি গাড়ির ভিতর থেকে এলোপাথাড়ি ভাবে গুলি ছুড়তে শুরু করে ওই আততায়ী। Krakow পুলিশ এক্স পোস্টে জানিয়েছে, আততায়ী পোল্যান্ডেরই নাগরিক। যে ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে তাঁদের মধ্যে ৪ জন মহিলা এবং ২ জন পুরুষ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কেন ওই আততায়ী গুলি চালিয়েছে তার কারণ স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। আপাতত আততায়ীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে Krakow পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একাধিক ভিডিও, যেখানে বন্দুকবাজের হামলার সময়ের মুহূর্ত ধরা পড়েছে। এইসব ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা আঁতকে উঠেছেন নেটিজেনরা। 

‘এড়িয়ে গেলে ফল ভুগতে হবে’, ইন্ডিগোর বিমানে ‘হাইজ্যাক’ হুঁশিয়ারি, বাথরুমে মিলল হাতে লেখা চিরকুট 

কিছুদিন আগে জর্ডনে একটি চার্চের ভিতর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালীন আচমকাই হামলা করে বন্দুবাজের দল 

চার্চের ভিতর চলছিল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। সেই সময়েই তিন বন্দুকবাজ ঢুকে পড়ে সেখানে। এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে তারা। মৃত্যু হয় অন্তত ৭ জনের। আহত হন অন্তত ৪০ জন। জর্ডনের একটি চার্চে এই ভয়ঙ্কর হামলার ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, জর্ডনের কারাক এলাকায় রয়েছে গ্রিক অর্থোডোক্স চার্চ। সেখানেই এই ঘটনা ঘটেছে। জর্ডনের রাজধানী আম্মানের থেকে ১৮০ কিলোমিটার (১১০ মাইল) দক্ষিণে রয়েছে এই চার্চ যেখানে ৩ বন্দুকবাজ হামলা চালায় নিরীহদের উপর। চার্চের ভিতরে থাকা একজনের কথায়, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার কাজ শুরু হওয়ার মিনিট ১৫- র মধ্যেই গুলি চলার আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়। স্বভাবতই গুলি চলার আওয়াজ পেয়ে যে যেদিকে পারেন ছুটে পালানোর চেষ্টা করেন। চোখের নিমেষে মারাত্মক হুলুস্থুলু পরিস্থিতি তৈরি হয় চার্চের ভিতর। ততক্ষণে প্রচণ্ড গুলি চলতে শুরু করেছিল বলে জানিয়েছেন ওই প্রত্যক্ষদর্শী যিনি এসেছিলেন চার্চের ওই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠানে। চার্চে থাকা অনেকে বলেছেন চারজন বন্দুকবাজ ছিল। 



Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *